চায়নার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে মাস্ককে কোন তথ্য দেয়নি পেন্টাগন: ট্রাম্প

প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০২৫

চায়নার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে মাস্ককে কোন তথ্য দেয়নি পেন্টাগন: ট্রাম্প

ডেস্ক রিপোর্ট: চায়নার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে ইলন মাস্ককে পেন্টাগন কোন তথ্য দেয়নি বলে স্পষ্ট জানালেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ট্রাম্প জানান, সরকারি ব্যয় সংকোচন নিয়ে কথা বলতেই সেখানে গিয়েছেন মাস্ক। চায়না নিয়ে কথা বললে সেখান থেকে উঠে যেতেন মাস্ক। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের পাশে থেকে ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ জানালেন,ডৌজের কাজের অংশ হিসেবে ইলন পেন্টাগনে যান। কোন গোপন শলাপরামর্শের জন্য নয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুই কর্মকর্তার বরাতে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস খবর দিয়েছিলো, নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়া মাস্ককে চায়নার আনক্ল্যাসিফায়েড ডকিউমেন্টস নিয়ে ব্রিফ করা হতে পারে। এনবিসি নিউয বলছে, প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইলনের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনাটি বাতিল করা হয়। হাউয ইন্টেল কমিটির র‍্যাঙ্কিং মেম্বার কংগ্রেসম্যান জিম হাইমস আশঙ্কা করছেন, যেহেতু ইলনের বিশাল ব্যবসায়িক স্বার্থ আছে চায়নায়। সেহেতু স্পর্শকাতর তথ্য দিয়ে এই ধনকুবেরকে বিশ্বাস করা যায় না। এছাড়া নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও বলছেন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র থাকলেই হাইলি ক্লাসিফায়েড ডকিউমেন্টস সবার সঙ্গে শেয়ার করা যায়না।

ট্রাম্প প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তার বরাতে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, শুক্রবার পেন্টাগন পরিদর্শনে যাবেন শীর্ষ ধনকুবের এবং ডৌজের প্রধান ইলন মাস্ক। যেখানে তাকে চায়নার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে ব্রিফ করা হবে। কি করে মোকাবেলা করা হবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্থলবাহিনী সমৃদ্ধ দেশটিকে। বৃহস্পতিবার এই খবর প্রকাশের পর পরই নড়েচড়ে বসেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। গভীর রাতেই সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, সামরিক পরিকল্পনা তো দূরের কথা,চায়নার কোনপ্রসঙ্গেই কথা হবে না মাস্কের সঙ্গে। পরদিন অর্থাৎ শুক্রবার ওভালঅফিসে এই বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে তোপের মুখে পড়েন প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউযে ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথকে দেখে মনে হয়েছে অনেকটা প্রস্তুত ছিলেন, যে এই বিষয়ে গণমাধ্যমে তাকে কোণঠাসা করতে চাইবে। তাই তো স্পষ্ট জানালেন, চায়নার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে ইলন মাস্ককে পেন্টাগন কোন তথ্য দেয়নি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ট্রাম্প জানান, সরকারি ব্যয় সংকোচন নিয়ে কথা বলতেই সেখানে গিয়েছেন মাস্ক। এমনকি চায়না নিয়ে কোন কথা বললে সেখান থেকে উঠে যাবেন মাস্ক। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের পাশে থেকে ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথ জানালেন,ডৌজের কাজের অংশ হিসেবে ইলন পেন্টাগনে যান। কোন গোপন শলাপরামর্শের জন্য নয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুই কর্মকর্তার বরাতে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস খবর দিয়েছিলো, নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়া মাস্ককে চায়নার আনক্ল্যাসিফায়েড ডকিউমেন্টস নিয়ে ব্রিফ করা হতে পারে। এনবিসি নিউয বলছে, প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইলনের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনাটি বাতিল করা হয়। হাউয ইন্টেল কমিটির র‍্যাঙ্কিং মেম্বার কংগ্রেসম্যান জিম হাইমস আশঙ্কা করছেন, যেহেতু ইলনের বিশাল ব্যবসায়িক স্বার্থ আছে চায়নায়। সেহেতু স্পর্শকাতর তথ্য দিয়ে এই ধনকুবেরকে বিশ্বাস করা যায় না। এছাড়া নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও বলছেন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র থাকলেই হাইলি ক্লাসিফায়েড ডকিউমেন্টস সবার সঙ্গে শেয়ার করা যায়না।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ