মেট্রোরেল বন্ধ: যাত্রীদের করণীয়

প্রকাশিত: ৯:২৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪

মেট্রোরেল বন্ধ: যাত্রীদের করণীয়

বিশেষ প্রতিবেদন:সম্প্রতি বিদ্যুতের তারে ঘুড়ি আটকে ও যান্ত্রিক ত্রুটিসহ অন্যান্য কারণে বেশ কয়েকবার মেট্রোরেল চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। কয়েক মিনিট থেকে একঘণ্টা পর্যন্তও বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল। এরকম সমস্যায় ট্রেনের ভেতরে থাকা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চলতি পথে হঠাৎ মেট্রোরেল বন্ধ হয়ে গেলে যাত্রীরা কী করবেন, তাদের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ আছে কিনা, এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর দিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। কোনও কারণে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হলে যাত্রীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে তারা জানিয়েছেন। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানি সচিব (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ আবদুর রউফ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মানবসৃষ্ট বা কোনও টেকনিক্যাল কারণে মেট্রোরেল থেমে গেলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মেট্রোরেলে এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম বা ইএসএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রেন যখন চলে এটি নিজেও কিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। চলাচলের সময় ট্রেনের ব্রেকিং সিস্টেম থেকে ব্যাটারিতে চার্জ হতে থাকবে। তিনি জানান, দুই স্টেশনের মধ্যবর্তী কোনও জায়গায় মেট্রোরেল থেমে গেলে এটি নিজের রিজার্ভ বিদ্যুৎ দিয়ে নিকটবর্তী স্টেশনে থামবে। এক্ষেত্রে সামনের স্টেশনেও যেতে পারে, আবার রিভার্স নিয়ে পেছনের স্টেশন, যেটা কাছে থাকবে সেখানেও যেতে পারে। প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসার পর অটোমেটিক ডোরগুলো খুলে যাবে। তখন যাত্রীরা চাইলে অপেক্ষায় থাকতে পারেন। আবার অন্য কোনও উপায়ে গন্তব্যেও চলে যেতে পারবেন। ট্রেনের ভেতরেও ঘোষণা দেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ট্রেনগুলোর ভেতরে স্ক্রিন আছে, সেখানে সমস্যার কথা উল্লেখ করি, যাতে যাত্রীরা জানতে পারেন কী কারণে ট্রেনটা থেমে আছে। এছাড়াও ট্রেন অপারেটরও সরাসরি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তিনিও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেন। ট্রেন থেমে গেলে যাত্রীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ডিএমটিসিএল-এর কোম্পানি সচিব আরও বলেন, যাত্রীদের বলবো, আপনারা নির্দেশনা ফলো করবেন। নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে নিকটবর্তী স্টেশনে নেমে যেতে পারবেন। মেট্রোরেল প্রকল্প থেকে জানা যায়, বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জাতীয় গ্রিডের সবগুলোর সঙ্গে সংযোগ থাকবে মেট্রো সিস্টেমের। ফলে দেশের কোথাও বিদ্যুৎ থাকলেই নিরবচ্ছিন্নভাবে মেট্রোরেল চলবে। হঠাৎ মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার সময় ট্রেনের ভেতরে ও প্ল্যাটফর্মে থাকা যাত্রীরা জানান, এমন পরিস্থিতিতে ট্রেন কিছুটা ধীরে চলা শুরু করে। পরে স্টেশনে এসে থামে। তখন ঘোষণা দেওয়া হয় ট্রেন ছাড়তে কিছুটা দেরি হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ